আগামী ৩০ নভেম্বের মধ্যে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির সুযোগ পাবেন ভারত ও বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে চলে যেতে আগ্রহী ছিটমহলবাসীরা।
তবে কোনো ব্যক্তি যদি ৩০ নভেম্বরের আগে স্থাবর সম্পত্তি রেখে ভারতে/বাংলাদেশে যেতে চান সে ক্ষেত্রে সম্পত্তির দলিলের কপি (যদি থাকে) স্থানীয় জেলা প্রশাসনের হেফাজতে রেখে যেতে পারবেন ।পরে বিক্রির সময় জেলা প্রশাসনের সহায়তা পাবেন তারা।
রোববার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত স্থল সীমানা চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল কার্যকরের পরিপ্রেক্ষিতে ছিটমহলবাসীদের অবগতির জন্য নিম্নলিখিত বিষয় জানানো হলো :
বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত সকল ভারতীয় ছিটমহল বাংলাদেশের ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হবে। একইভাবে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত সকল বাংলাদেশি ছিটমহল ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হবে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভারতীয় ছিটমহলে/ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহলে ২০১১ সালে পরিচালিত শুমারির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তি এবং এর পরে জন্মগ্রহণকারী তাদের সন্তানদের বাংলাদেশের/ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তারা বাংলাদেশের/ভারতের নাগরিক হিসেবে সকল সুযোগ সুবিধা পাবেন।
জুলাই ২০১৫ এর প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ দল ছিটমহলবাসীদের মতামত সংগ্রহ করবেন। যারা ভারতীয় নাগরিকত্ব বহাল রাখতে চান এবং ভারতের মূল ভূখণ্ডে চলে যেতে চান তাদের ওই দলের কাছে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
একইভাবে যারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বহাল রাখতে চান এবং বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে আসতে চান তাদের ওই দলের কাছে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি ভারতের/বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বহাল রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবে তাকে ১ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাংলাদেশের/ভারতের মূল ভূখণ্ডে গমন করতে হবে। এ সময় উভয় দেশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য তাদের প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পাশ ইস্যু করা হবে ।
যারা ভারতে/বাংলাদেশে যেতে চান তারা চিলাহাটি-হলদিবাড়ী, বুড়িমারী-চেংরাবান্ধা, বাংলাবান্ধা-ফুলবাড়ি চেক পয়েন্ট দিয়ে যেতে পারবেন।
জেআই





