যশোরের শার্শা থানায় প্রায় একমাস ওসি নেই। যে কারণে উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

যশোর জেলার মধ্যে শার্শা থানা যথেষ্ঠ গুরুত্ব বহন করলেও গত ২৪ দিন ধরে এ থানায় ভারপ্রাপ্ত ওসি নেই।

ওসি না থাকায় ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এ থানার তদন্ত অফিসার আব্দুর রহিম মোল্লা।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর ২০১৪ তারিখ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সাহিদার রহমান যোগদানের পর ৩ মাস যেতে না যেতেই ২৫ জানুয়ারি ২০১৫ হঠাৎ তাকে যশোর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।

ওইদিন শার্শা থানায় অফিসার হিসেবে যোগদান করেন গোলাম কিবরিয়া। গোলাম কিবরিয়ার যোগদানের ১৫ দিন যেতে না যেতেই তাকেও এ থানা থেকে যশোর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়।

জানা গেছে. গত এক বছরে শার্শা থানা থেকে ৪জন অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। গত ২৪ দিন পার হলেও শার্শা থানায় কোন ওসি দেয়া হয়নি। ওসি না থাকায় শার্শা থানার কয়েকজন অসাধু পুলিশ অফিসার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শার্শা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযানের নামে সাধারণ মানুষকে ধরে অর্থ বাণিজ্যে নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, সন্ত্রাসী, চোর-ডাকাত এমন কি বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও ছাড় পাচ্ছেন না। সরকার সমর্থিত কিছু অফিসার এসব কর্মকান্ড চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। শার্শার ১১টি ইউনিয়নে এখন পুলিশ আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে পুলিশের ভয়ে অনেকে ঘরে থাকতে পারছে না। মামলার ভয় দেখিয়ে, ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের জেল দেয়ার কথা বলে পুলিশ চাঁদাবাজি করছে। রাতেই ধরে আবার রাতেই টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের।

সাধারণ মানুষদের হয়রানী থেকে রেহাই এবং আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নের স্বার্থে শার্শা থানায় একজন দক্ষ ওসি প্রয়োজন বলে, সচেতন এলাকাবাসী মনে করেন। এ ব্যাপারে জানার জন্য শার্শা থানার সরকারি টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি কেউ রিসিভ করেনি।

এসএইচ