সোমবার (৩ আগস্ট) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, কর্মসূচিটি বছরে মোট ছয় মাস চালু থাকে। এর মধ্যে আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার মাস এবং পরবর্তী বছরের মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস উপকারভোগীরা স্বল্পমূল্যে চাল পাবেন।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ দরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা, বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থান কমে যাওয়া বা অর্থনৈতিক মন্দার সময় নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় আরও জানায়, কর্মসূচির আওতায় ২৪৮টি উপজেলার প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার পরিবারকে পুষ্টিসমৃদ্ধ (ফর্টিফায়েড) চাল সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, ২৪৭টি উপজেলার প্রায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার পরিবার সাধারণ চাল পাচ্ছে।
এছাড়া সারা দেশে ১ হাজার ১০৮টি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কেন্দ্রের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি কার্যক্রমও চলমান রয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে পারেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে এবং চাল-গম সংগ্রহ কার্যক্রমও অব্যাহত আছে। বর্তমানে সরকারি গুদামে মোট ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ মেট্রিক টন গম এবং ধান থেকে চাল হিসেবে হিসাব করলে আরও ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য রয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপুষ্টি দূর করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
এস