এ অবস্থায় দ্রুত নিবন্ধন শেষ করতে হজ এজেন্সিগুলোকে তাগিদ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। হজযাত্রীদের সুবিধার্থে শনিবারও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার তথ্য অনুযায়ী, হজ পোর্টালে ১৮ হাজার ৭৩৬ জন প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৮২৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার ৯০৮ জন। চলতি বছর বাংলাদেশের হজ কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। সে হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ শতাংশ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন।

সৌদি সরকারের রোডম্যাপ অনুযায়ী, হজ নিবন্ধনের শেষ সময় ১২ অক্টোবর

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের হজযাত্রী নিবন্ধনের সময়সীমা ১২ অক্টোবর শেষ হবে। তবে তালিকার ৩২৯টি হজ এজেন্সি এখনো কোনো নিবন্ধন করেনি।

হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ২০২৬’-এ বলা আছে, প্রতিটি এজেন্সিকে অন্তত ৪৬ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া তা করতে ব্যর্থ হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে।

এছাড়া আরও এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ৪৮টি এজেন্সি এখনো কোনো প্রাক-নিবন্ধন বা প্রাথমিক নিবন্ধন করেনি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)–এর মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, অনেকে ওমরাহ করায় হজে আগ্রহী হচ্ছেন না। অনেকে মনে করেন, ওমরাহ করলে আর হজ করার প্রয়োজন নেই—এটি একটি ভুল ধারণা।

তিনি আরও বলেন, শেষ সময়ে নিবন্ধনের হার বাড়বে বলে আমরা আশা করছি। এছাড়া এবার প্রক্রিয়া আগেভাগে শুরু হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হজে গমনেচ্ছুদের নিবন্ধনের সুবিধার্থে শনিবার হজ সংক্রান্ত ব্যাংক শাখাগুলো খোলা রাখা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এনএইচ