আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মো. আরিফ হোসেন (১৬) ও মো. ফরহাদ হোসেন (১৫) নামে দুই ছাত্রলীগকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে এক যুবলীগ নেতা ও তার সহযোগীরা।
বুধবার সন্ধ্যার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের বসুরহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত দুইজনের মধ্যে আরিফের অবস্থা গুরুতর। হামলায় তার মাথা ফেটে যায়। আরিফ চরশাহী ইউনিয়নের নুরুল্যাপুর গ্রামের দুলাল আহম্মদের ছেলে। আর ফরহাদ পার্শ্ববর্তী দিঘলী ইউনিয়নের খাগুড়িয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

তারা দুইজনই স্থানীয় ছাত্রলীগকর্মী এবং যুবলীগ নেতা শাহাদাত গ্রুপের সমর্থক বলে জানা গেছে।

মোরশেদ আলম নামে আরেক যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি আহতদের। তবে মোরশেদ সমর্থকদের দাবি, এক নারীকে লাঞ্চিত করার অপরাধে এলাকাবাসী তাদের মারধর করেছে।

দাসের হাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) মো. জহির জানান, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানায়, সন্ধ্যায় ছাত্রলীগকর্মী আরিফ ও ফরহাদ বসুরহাট বাজারে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় সদর উপজেলা (পূর্ব) যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোরশেদ আলম ও তার বড় ভাই বাবলুর নেতৃত্বে ১০-১২ জন লোক লোহার রড ও লাঠি নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে।

চরশাহী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, ‘আহত দুই ছাত্রলীগ কর্মী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাতের সমর্থক। যুবলীগ নেতা মোরশেদ গ্রুপের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে।’ নারী লাঞ্চিতের ঘটনাকে তিনি সাজানো বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে, মোরশেদ আলমের সমর্থক যুবলীগ নেতা মো. আমির হোসেন জানান, সন্ধ্যার আগে আরিফ মোরশেদের বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে লাঞ্চিত ও নির্যাতন করার চেষ্টা করেছে। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী আরিফ ও তার সহযোগী ফরহাদকে মারধর করেছে।

জেএ