প্রধানমন্ত্রীর সফর ও সফরসঙ্গীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, এবারের সফরে জাতিসংঘের কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৩৫ জন সফরসঙ্গী নিউইয়র্কে যাবেন। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি যুক্তরাষ্ট্র থেকেই নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগ দেবেন।
তিনি জানান, প্রতিনিধি দলে চারজন মন্ত্রী রয়েছেন। পাশাপাশি দুজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন।
নিরাপত্তার বিষয়ে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সফররত প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রেরও রয়েছে। এ বিষয়ে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক অবস্থানের সময়সীমা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, সফরের কর্মসূচি কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে যতদিন প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী ততদিন সেখানে থাকবেন। কতদিন অবস্থান করছেন, তার চেয়ে সফরের সময়কে কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ড. গোলাম মহিউদ্দিন এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। প্রতিনিধি দলে আরও থাকছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে তার রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
এস





