ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিতদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৫৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭০ হাজার ৮৬৪ জন রয়েছেন।
২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারিত। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে নির্ধারিত কোটায় আরও ২ হাজার ৫৮২টি আসন খালি রয়েছে।
তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ হাজার ‘আনপেইড ভাউচার’ রয়েছে। এসব ভাউচারের অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ হলে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে বাংলাদেশের নির্ধারিত কোটার তুলনায় অতিরিক্ত হজযাত্রীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজকের মধ্যে এসব ভাউচারের অর্থ পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। তবে শনিবারের পর নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।
গত ২৭ জুলাই চূড়ান্ত নিবন্ধন শুরু হয়। এর আগে প্রাক্-নিবন্ধিতদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যাকেজের সাড়ে ৩ লাখ টাকা জমা দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি আরবকে জানানো হবে। এরপর হজযাত্রীদের আবাসন, সৌদি পর্বের অর্থ পরিশোধ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকা ও প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
এদিকে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজ পালনে আগ্রহীদের বিষয়টি নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে সৌদি আরবের অনুমোদন ছাড়া অতিরিক্ত হজযাত্রীর নিবন্ধন করা হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে হজ চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা বাড়ানোর বিষয়টি তোলা হতে পারে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভূঁইয়া জানিয়েছেন, আপাতত নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত নিবন্ধনের সুযোগ নেই।
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, নিবন্ধন শেষ হলে অতিরিক্ত হজ পালনে আগ্রহীদের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে। এরপর সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনা করে বাড়তি কোটা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। হজযাত্রীদের জন্য সেবা সহজ করা, ব্যয় কমানো এবং ভোগান্তি কমাতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এস





