শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন ক্লিনিকের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় হানিফ মিয়াকে নামীয় আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, নগদ টাকা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী লুট করে নিয়ে যান।
কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে, লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ভবন ও তিনটি সেমিপাকা ভবন ভেঙে ফেলা হয়। হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি তাদের।
এ ছাড়া হামলার পর ক্লিনিকের জায়গায় ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছে কর্তৃপক্ষ। হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ইন্ধন ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে।
এস





