গত বছর বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলা ও এসব হামলায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ২০১৪ সালের তুলনায় গত বছর বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলা ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।
ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তুতকৃত ‘২০১৫ কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেরোরিজম’শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসবাদী হামলা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, ২০১২ সালের পর সন্ত্রাসী হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রথমবারের মতো কমেছে। এর অন্যতম কারণ, ইরাক, পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ায় হামলা ও নিহতের সংখ্যা উভয়েই কমেছে।
সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ৫টি দেশের তিনটিতেই এ অবস্থা বিরাজমান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার-টেরোরিজম বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক জাস্টিন সিবেরেল এসব বলেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর সন্ত্রাসী হামলায় ২৮,৩০০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩৫,৩০০ জন। বিশ্বব্যাপী মোট হামলা হয়েছে ১১৭৭৪টি।
তবে বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত মতে, ২০১৫ সালেও সন্ত্রাসবাদের হুমকি ব্যাপকভাবে বিবর্তিত হওয়া অব্যাহত রেখেছে। তবে এসব হুমকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে চরমপন্থীরা দেশে বিরাজমান হতাশাকে ব্যবহার করছে। এসব দেশে মুক্তি ও শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশ বন্ধ করে রাখা। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জঙ্গিসংগঠন আইএস’র হুমকি সবচেয়ে বড়।
মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়া জুড়ে সহযোগী ও সমর্থকদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছে গ্রুপটি। ইরাক ও সিরিয়ায় ভ’খ- হারালেও, লিবিয়া ও মিশরে শক্তিমত্তা বেড়েছে তাদের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ছিল ইরান। বিশেষ করে, সিরিয়া ও ইরাকের সংঘাত সমর্থন করে আসছে দেশটি।
এছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বোমা হামলা চালাতে শিয়া মিলিশিয়াদের অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ আছে ইরানের বিরুদ্ধে। তবে বাহরাইনের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে দেশটি।
এমবি





