বৃহত্তর দিনাজপুর তথা উত্তরবঙ্গ জুড়ে এই প্রবাদ চালু আছে- মাঘের শীতে বাঘ কাঁদে, বুড়ো জোয়ান কান বাধে।

তীব্র শীতের আগমনী বার্তা এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে দেশের উত্তরাঞ্চলে। সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যেতে শুরু করেছে সব। গাছের পাতায় আর ঘাসে জমছে শিশির বিন্দু। শীত জেঁকে বসছে দিনাজপুরেও। 

শীত মোকাবেলা করার প্রস্তুতি হিসেবে মানুষ গরম কাপড় কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছে দিনাজপুর কাচারি রোডের পাশে পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে। দোকানিরাও গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে অভিনব কায়দায় সুর তুলে বলছেন, দেইখ্যা দেইখ্যা লন, বাইচ্ছা বাইচ্ছা লন; বুড়াবুড়ি ছোট বাচ্চারে কষ্ট দিয়েন না, পকেটে টাকা নিয়া হুদাই ঘুইরেন না।

ক্রেতারাও তাদের পছন্দ মতো স্যুয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, হাত মোজা, কান পট্টি, টুপি, ট্রাউজার কিনছেন।

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের কষ্ট বেড়ে যায়। প্রতিবছর শীতের প্রকোপে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে যায়। শিশুরা ঠাণ্ডা জনিত কারণে সর্দি-জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় বেশি।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত শীতে দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রের্কড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবারও তার ব্যতিক্রম নাও হতে পারে।   

জেআই