টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতের প্রস্তুতি চলছে।
আজ (১২ জানুয়ারি) রোববার রোববার দুপুরে আগেই অনুষ্ঠিত হবে। ইজতেমায় আগত মুসল্লি ও মোনাজাতে অংশ নেয়া মুসল্লিদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য তাদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) গাজীপুরে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেয়া লাখ লাখ মুসল্লি ছাড়াও অসংখ্য মুসল্লি আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমাস্থলে আসেন। এজন্য আলাদা ট্রাফিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা প্রস্তুত রয়েছি। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ইজতেমার কাজ সম্পন্ন করতে পারবো।
পুলিশ কমিশনার জানান, মুসল্লিদের চলাচলের সুবিধার জন্য রোববার (১২ জানুয়ারি) ভোর রাত ৪টা থেকে টঙ্গীমুখী সবগুলো রাস্তা যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ রাখা হবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী গাড়িগুলো গাজীপুর চৌরাস্তায় ও কোনাবাড়িতে, এছাড়া ঢাকা বাইপাস সড়কের ভোগড়ায়, শাখা রোড বোর্ডবাজার, মীরেরবাজার থেকে আসা প্রত্যেকটি সড়ক ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ময়মনসিংহমুখী যানবাহনগুলো ঢাকার মহাখালী থেকে বন্ধ থাকবে।
মোনাজাতের পর মুসল্লিরা ময়দান থেকে যাওয়ার পর রাস্তা যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ৪টা বা ৫টার দিকে যানবাহন চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। পরে চারদিন পর আগামী ১৭ -১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয়পর্ব। এই পর্বে মাওলানা সাদ অনুসারী মুসল্লিরা অংশ নেবেন।
এবার ইজতেমায় সার্বিক নিরাপত্তায় সাড়ে ৮ হাজার পুলিশের পাশাপাশি র্যাব ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে মুসল্লিদের সমাগম বেশি হওয়ায় বাইরে অবস্থানরত হাজার হাজার মুসল্লি ভোগান্তিতে পড়েছেন। ওযু, গোসলসহ দৈনন্দিন কাজে তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
এমবি





