গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কের পাশে প্রায় এক কিলোমিটার অংশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির খুঁটি। ফলে যানবাহন চলাচলে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের এক পাশে একটু পরপর জড়ো করে খুঁটি রাখা হয়েছে। ওই সড়কের দক্ষিণ পাশে সদর উপজেলার তুলসীঘাট বাজার থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার বুড়িরঘর এলাকা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার অংশে কংক্রিটের খুঁটিগুলো রাখা।
সড়কটি তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের।পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর গ্রামের রিকশাচালক বাবু মিয়া (৪৫) বলেন, আগে পাশাপাশি দুটো বাস এলে রিকশা নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো যেত।
কিন্তু এখন সে জায়গা আর নেই। রিকশা গিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খায়। কয় দিন আগে বাসকে জায়গা দিতে গিয়ে তিনি রিকশাসহ খুঁটির ওপর এসে পড়ে আহত হন।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া গ্রামের বাসচালক খোকা মিয়া বলেন, গাইবান্ধা-বগুড়া রুটে তিনি প্রতিদিন বাস চালান। গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী সড়কটি এমনিতে ছোট।
দুটো বাস পাশাপাশি চলতে পারে না। তাঁর ওপর রাস্তার পাশে খুঁটি জড়ো করে রাখায় প্রায় সময় বাস খুঁটির সঙ্গে গিয়ে ধাক্কা খায়।গাইবান্ধা-পলাশবাডী সড়কটি জেলার মধ্যে ব্যস্ততম সড়ক। এ সড়ক ধরে পলাশবাডী ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রায় ছয় লাখ মানুষ জেলা শহরে যাতায়ত করেন।
এ ছাড়া সড়ক দিয়ে গাইবান্ধার দুই শতাধিক যানবাহন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় চলাচল করে। এমন একটি সড়কের পাশে এত খুঁটি রাখা ঠিক হয়নি। সওজ কর্তৃপক্ষ কীভাবে সড়কে খুঁটি রাখার অনুমতি দিল তা তিনি বুঝতে পারছেন না।জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক ওয়হেদুল হক বলেন, খুঁটিগুলো জায়গা ভাড়া করে রাখার কথা ছিল।
কিন্তু জমিতে পানি থাকায় তা করা যায়নি। তাই সাময়িকভাবে সড়কে খুঁটি রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে একটি জায়গা ভাড়া করা হয়েছে।
দ্রুত সড়ক থেকে খুঁটি সরিয়ে নেওয়া হবে।গাইবান্ধা সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল আলম খান বলেন, ওই সড়কে বৈদ্যুতিক খুঁটি রাখার জন্য গাইবান্ধা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। সড়ক থেকে খুঁটি সরানোর জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
এসএইচ





