সোমবার দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বিমানমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি ও দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যাত্রীদের জীবন ও নিরাপত্তা অনেকাংশেই তাদের দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভর করে। তাই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শিথিলতা মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা কাটিয়ে বিমানবন্দরের পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যক্রম চলছে।
বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘পরিস্থিতির উন্নতি করতে সরকার বদ্ধপরিকর। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সমস্যাগুলো দূর করতে সরকারকে সময় দিতে হবে। যারা এখানে কাজ করেন, তাদের অনেকেই দীর্ঘদিনের কারণে দায়িত্ব পালনে এক ধরনের শিথিলতায় চলে গিয়েছিলেন। এছাড়া দলীয়করণের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া অনেকের দক্ষতার ঘাটতিও রয়েছে।’
বিমানবন্দরে লাগেজ কাটার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এ ধরনের ঘটনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অতীতে দু-একটি ঘটনা ঘটে থাকলে সেগুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
এদিকে বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণপাচার এবং এ ঘটনায় বিমানকর্মীদের আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচারকারীরা সহজেই বের হয়ে যেতে পারত। এখন নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার হওয়ায় তাদের শনাক্ত ও আটক করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, স্বর্ণপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এস











