কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পথে পথে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা। এরা সবাই মুসলিম নাগরিক। এদের মাঝে ঈদের খুশি নেই।
ওপারে মিয়ানমার সামরিক জান্তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রতিদিন এসব রোহিঙ্গাদের হালকা খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত সময়ের চেয়ে এবার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেশি ঘটেছে। উখিয়া-টেকনাফ উপজেলার বন বিভাগের জায়গা দখল করে আরো ৩টি অস্থায়ী ক্যাম্প করেছে। বিভিন্ন এনজি ও সংস্থার পক্ষ থেকে প্রাথমিক ভাবে শুকনা খাবার দেওয়া হচ্ছে।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ঢালার বাসিন্দা আবুল কালাম, জসিম উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গারা মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। এরা সহায় সম্বল রেখে প্রাণ বাচাঁতে এদেশে আশ্রয় নেয়।
উখিয়ার কুতু পালং গ্রামের কলেজ ছাত্র রাসেল, জামাল, আকতার কামাল বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও রাখাইন যুবক কতৃর্ক নিযার্তন সহ্য করতে না পেরে এখানে আশ্রয় নিয়েছে।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোজাফর আহাম্মদ বলেন, গত দশদিন ধরে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সীমান্ত এলাকা রাত দিন পাহারা দিয়েছি। আমার সীমান্ত দিয়ে কোন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে পারেনি।
মানিক/এমবি





