কোরবানির আগে দেশের ভোগ্যপণ্যের সবচে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অস্থির মসলার বাজার। বাজেটে অগ্রিম কর সংযোজন, সরবরাহ কম ও বিদেশে বুকিং রেট বাড়ার অজুহাতে রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। আর পেঁয়াজ ও আদা বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। সামনে আরো বাড়বে বলে মত ব্যবসায়ীদের।
প্রতিবছর কোরবানির আগে নানা অজুহাতে খাতুনগঞ্জে বেড়ে যায় সব ধরনের মসলার দাম। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি রসুন ছিলো ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। এ সপ্তাহে তা দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকায়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, এটা বাড়ার কারণ হচ্ছে, চীন থেকে যে রসুনগুলো আসে তার বুকিং বেশি, বেশি রেটে কেনা। আর সবাই এগুলি ইমপোর্ট করতে পারে না। এজন্য মাল কম আসার কারণে রসুনের দাম বেড়ে গেছে।
বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজও। ৪ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ২৯ টাকায়। আর ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে আদা বিক্রি হচ্ছে ১০৮ টাকায়।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজেটে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন আমদানিতে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সংযোজন করায় বেড়েছে এসব পণ্যের দাম।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক মো জালাল উদ্দীন বলেন, রসুন-আদায় নতুন ভ্যাট কার্যকর হওয়ায় এটার দাম বেড়েছে। আর তাছাড়া আমরা যেখান থেকে ইমপোর্ট করি সেখানেও ওদের সরবরাহ কমে গেছে। ওই কারণে ওরা বুকিংও বাড়িয়ে দিয়েছে।
দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২২ লাখ, আর রসুন ৫ লাখ মেট্রিক টন। অভিযোগ আছে, কোরবানির আগে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে বাড়ছে এসব পণ্যের দাম।
এসএম





