স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, বিশ্ব অবস্থা এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী আমরা বুঝতে পেরেছি যে করোনাভাইরাসের পরীক্ষার সংখ্যা আমাদের আরও বাড়াতে হবে। তাই আমরা কমিউনিটি পর্যায়ে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত করোনা বিষয়ক ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে অধ্যাপক আবুল কালাম এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, আমরা জানতে চাই বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নের পরিস্থিতি কী। আমরা জানতে চাই, বাংলাদেশের গ্রামগুলোর পরিস্থিতি কী। আমরা জানতে চাই, শহরগুলোর পরিস্থিতি কী। আমরা সেজন্য পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহার করে কমিউনিটি পর্যায়ে নমুনা সংগ্রহ করবো। আমরা বিভিন্ন শহর থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করবো। আমরা এর মাধ্যমে জানতে চাইবো যে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কী।

অধ্যাপক আবুল কালাম বলেন, আমরা যদি এরকম পাই যে উপজেলায় কিংবা ইউনিয়নে একটিও করোনা আক্রান্ত রোগী নেই, তাহলে আমরা চাইবো যাতে নতুন করে সেখানে সংক্রমণ না হয়। যদি সংক্রমণ পাওয়া যায় তাহলে সেখান থেকে যেন বাইরে না যায় সেদিকে আমরা নজর রাখবো।

তিনি আরও বলেন, সারা বাংলাদেশে যদি আমরা সেরকম একটি চমৎকার ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে আমরা দ্রুত করোনা মোকাবিলা করতে পারবো। সেজন্য আমাদের পরীক্ষার সংখ্যা প্রচুর বাড়ানো হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, আমরা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আমাদের ১৩-১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবো। বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে শুরু করে অন্যান্য সব হাসপাতালের চিকিৎসক নার্সের সুরক্ষা আমরা নিশ্চিত করবো।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে সবাইকে আমরা পিপিই সরবরাহ করবো। আমরা চেষ্টা করবো প্রত্যেকটি জেলায় ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল তৈরি করতে।

এমবি