দেশের মেডিকেল শিক্ষায় স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) দিবস ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। এদিনটিতে পালন করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৮তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস।

১৯৯৮ সালের এ দিনে ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ (আইপিজিএমঅ্যান্ডআর) সেন্টার বিএসএমএমইউ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এ বিশ্ববিদ্যালয় এদেশের মেডিকেল উচ্চশিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণায় অবদান রেখে চলছে। এতে রয়েছে উন্নত বিশ্বের মতো স্নাতকোত্তর চিকিৎসা শিক্ষায় রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম।

দেশের সরকারি মেডিকেলের মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক বিদেশি ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয় এখানে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রিউমাটোলজি বিভাগ, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগ চালু করা হয়েছে।

এছাড়া সেন্টার ফর নিউরোডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অটিজম ইন চিলড্রেন, পেলিয়েটিভ কেয়ার উইং, রেসপিটেরি মেডিসিন উইং প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অর্থায়নে এ পর্যন্ত প্রায় ৪শ’টি গবেষণা পরিচালিত হয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রূপান্তরকরণের কার্যক্রম প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে দেশসেরা এ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণে সরকার কেবিন-ব্লকের উত্তরে ১২ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করেছে। কোরিয়ার ঋণ সহযোগিতায় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে ৭শ’ শয্যার সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ প্রতিষ্ঠানের ৫ কোটি টাকার আয় থেকে পঙ্গু ও অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে এখানে ১৫শ শয্যা, ১২৪ কেবিন, ৫৬ অপারেশন থিয়েটার, ৩৭ শয্যার ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট, ৩৫ শয্যার করোনারি কেয়ার রয়েছে। এখানে আউটডোরে দৈনিক আগত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজারের মতো। চিকিৎসা নিতে বছরে অন্তত ৩০ হাজার রোগী ভর্তি হয়।

১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়ানো, স্মরণিকা প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক মুখপাত্র বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদ প্রকাশ, সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র প্রকাশ।

এএইচ