শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদী পরিদর্শন ও নোঙর বাংলাদেশের ‘নোঙর রিভার ক্যাম্প’ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির হিস্যা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫৪টি এবং মিয়ানমারের তিনটি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদীতে বাংলাদেশের ন্যায্য পানির হিস্যা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ফারাক্কা চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এটি নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কারিগরি কমিটি কাজ করছে।

দেশের নদী ও খাল উদ্ধারে কোনো ধরনের দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা হবে না বলেও জানান পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, খনন ও পুনরুদ্ধার করা নদী, খাল ও জলাশয় যাতে আবার দখল হয়ে না যায়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। নদী উদ্ধারের ক্ষেত্রে কারও দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।

এর আগে মহানন্দা নদীর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে নোঙর রিভার ক্যাম্পের পতাকা আয়োজকদের হাতে তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেন তিনি।

নোঙর বাংলাদেশের এই নদীভিত্তিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত হয়ে টেকনাফে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, তেঁতুলিয়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আঁকাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, নোঙর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন সামস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমসহ সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও পরিবেশকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এস