ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমার নদ থেকে ঝর্ণা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার চুমুরদী গ্রামের কুমার নদে বস্তাবন্দী অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায়। ঝর্ণা বেগম ভাঙ্গা পৌর সদরের মধ্যপাড়া হাসামদিয়া গ্রামের গেদু মাতুব্বরের স্ত্রী।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঝর্ণা বেগমকে দুর্বৃত্তরা গলা কেটে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দী করে কুমার নদে ফেলে দেয়। লাশ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে গেদু মাতুব্বর বাদী হয়ে প্রতিবেশী সোহেল ও তাঁর কয়েকজন সহযোগীকে আসামি করে গতকাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে ঝর্ণা বেগম তাঁর প্রতিবেশী সোহেলকে ব্যবসা করার জন্য ২০ হাজার টাকা ধার দেন। দীর্ঘদিন ধরে দেনদরবার করেও তিনি সোহেলের কাছ থেকে ওই টাকা তুলতে পারছিলেন না।

গত রোববার সকালে ধারের ২০ হাজার টাকা পরিশোধের কথা বলে ঝর্ণা বেগমকে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান সোহেল ও তাঁর সহযোগীরা। এরপর থেকে ঝর্ণা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। তাঁকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পরদিন সোমবার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

এম এ