রাজশাহী থেকে অপহৃত ব্যাংক কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত) আক্তারুজ্জামান কচি টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর নাসির গ্যাস স্টেশনের সামনে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা তাকে ছেড়ে দেয়।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় কচির পিতা আফসার উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা তার ছেলে কচিকে ছেড়ে দেয়। এরপর কচি একটি দোকান থেকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের অবহিত করেন।
এর প্রেক্ষিতে পরিবারের সদস্যরা ঢাকার উত্তরা থেকে মির্জাপুরের উদ্দেশে রওনা হন। এসময় পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘এরপর আমরা রাত দেড়টার দিকে মির্জাপুরে পৌঁছি। সেখানে পৌঁছে কচির সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়। এরপর তাকে নিয়ে মির্জাপুর থানায় যায়। বিষয়টি থানাকে অবহিত করার পর প্রয়োজনীয় কাজ শেষে তাকে নিয়ে ঢাকার উত্তরায় নিজের বাড়িতে পৌঁছি।’
পরিবারের সদস্যরা জানান, কচিকে অপহরণের পর কয়েকদিন চোখ বাঁধা অবস্থায় রাখা ছিল। তাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে নিয়ে দুপুর সাড়ে তিনটার ফ্লাইটে রাজশাহী রওনা হবেন তারা।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম বাদশা বলেন, অপহৃত ব্যাংক কর্মকর্তা কচি টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। রাজশাহী ফিরলে গণমাধ্যমকর্মীদের এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে আক্তারুজ্জামান কচিকে রাজশাহী নগরীর নিউমার্কেটের পশ্চিম সুলতানাবাদ এলাকার একটি গলির মধ্যে নন্দিতা প্রিন্টিং প্রেসের সামনে থেকে অপহরণ করা হয়।
অপহরণের পর তার পিতা আফসার উদ্দিন বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি সর্বশেষ বগুড়া এক্সিম ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন এবং অর্থ সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে বরখাস্ত হন। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
এমকে





