সোমবার সন্ধ্যায় নতুন দাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে বিইআরসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বৃদ্ধি এবং আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ানোর কারণে ভোক্তা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
এর আগে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। গত অক্টোবর মাসে এক দফায় ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বিইআরসির নির্ধারিত দামে বাজারে গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অক্টোবর মাসেই ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, এলপিজির পাশাপাশি যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়েছে বিইআরসি। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ছিল ৭৩ টাকা ৯ পয়সা।
নতুন মূল্য সমন্বয়ের সঙ্গে আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশনও বাড়ানো হয়েছে। আমদানিকারকদের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ—অপারেটরের প্ল্যান্ট থেকে ডিস্ট্রিবিউটর পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ—১২ কেজি সিলিন্ডারে ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮১ টাকা ৭৬ পয়সা করা হয়েছে। ডিলারদের চার্জ ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশের এলপিজি বাজারে অস্থিরতা চলছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার পর আমদানিকারকেরা সরবরাহ কমিয়ে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আগে ১ হাজার ৫৮৫ টাকায় বিক্রি হওয়া সিলিন্ডার কোথাও কোথাও ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
বিইআরসির নতুন মূল্য নির্ধারণের পরও বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত হবে কি না, তা নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ রয়েছে।
এস











