জনবল সংকটের কারণে প্রায় এক বছর ধরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে (ক্লোজডাউন) পশ্চিমাঞ্চল রেলের লালমনিরহাট-সান্তাহার রুটের মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশন।

গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনের ১ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে এতদঞ্চলের রংপুর চিনিকল।

উল্লেখ্য, তালাবদ্ধ স্টেশন অফিস আর অপরিচ্ছন্ন প্লাটফরমের সামনে প্রতিদিন ট্রেন আসে-ট্রেন যায় কিন্তু এর যাতায়াতের আগাম খবর দেয়া বা টিকেট বিক্রি বা মালামাল বুকিং নেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে এই পথে রেলওয়েতে যাতায়াতকারি যাত্রীরা এখন অবর্ণনীয় দুঃখের কবলে পড়েছে।

এছাড়া টিকেট বিক্রি ও মালামাল বুকিং বন্ধ থাকায় প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। এ রুটে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ২১আপ ও ২২ ডাউন পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ছাড়া বাকী সকল ট্রেনগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু থাকায় টিকেট কাটতে না পেরে নানামুখী সমস্যায় পড়ছে এখানকার ট্রেনযাত্রীরা।

গত বছরের ২৬ মার্চ দায়িত্বরত অবস্থায় একজন স্টেশন মাস্টার মারা গেলে এবং ৩০ জুন আরেকজন স্টেশন মাস্টার অবসর গ্রহণ করার পর থেকে আর নতুন করে স্টেশন মাস্টার না দেয়ায় এই স্টেশনে অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এব্যাপারে লালমনিরহাটের বিভাগীয় ট্রাফিক তত্বাবধায়ক (ডিটিএস) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিভিন্ন সময়ে মামলার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হলেও ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এমবি