যশোর সদর জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ের সামনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। ওয়ার্ডের মধ্যে প্রতিপক্ষ রোগীর স্বজনের ওপর হামলা ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল ৫টায় একদল দুর্বৃত্ত হাসপাতালে ঢুকে এ ঘটনা ঘটায়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া কয়লাপট্টি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আল-আমিন ও সজল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে সজল ও তার মাতা জাহেদা বেগম এবং প্রতিপক্ষের আল-আমিন আহত হয়।
আহতদের সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপরই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আল-আমিনের স্বজন অপর গ্রুপের বাবুকে একা পেয়ে ধাওয়া করে। বাবুকে ধাওয়া করলে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় মহিলা ওয়ার্ডে রোগীর বেডের নিচে গিয়ে পালায়।
সেখানেই মারপিট করা হয় বাবুকে। এরপর হামলাকারীরা দ্বিতীয় তলায় তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ের সামনে একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে স্থান ত্যাগ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী সিনিয়র স্টাফ নার্স তৃপ্তি লতা গোস্বামী জানান, হঠাৎ একটা ছেলেকে তিন-চারজন ধাওয়া দিলে ছেলেটা মহিলা ওয়ার্ডে পালিয়ে আসে। ভয়ে রোগীদেও বেডের নিচে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে ছেলেটাকে বের করে দুর্বৃত্তরা তাকে মারপিট শুরু করে।
পরে তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেলে হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা ছেলেটাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক একেএম কামরুল ইসলাম বেনু বলেন, রোগীর স্বজনদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। একপক্ষ দ্বিতীয় তলায় বোমা বিস্ফোরণ করেছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের ওসি একেএম আজমল হুদা জানান, হাসপাতালের মধ্যে দুই গ্রুপ চাকু নিয়ে মারামারি করেছে এবং একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।
এমএ





