একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তি আজ। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনকে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে উদযাপন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
এদিকে আজ ঢাকাসহ সারা দেশে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করবে বিএনপি। তারা ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে প্রতিবাদ সমাবেশ হবে। নেতাকর্মীরা সেদিন কালো ব্যাজ ধারণ করবেন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় অফিসগুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এদিকে গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, সোমবার কেন্দ্রীয়ভাবে কর্মসূচি পালনের সঙ্গে সঙ্গে দেশব্যাপীও ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করতে দলের সব ওয়ার্ড, থানা, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া সারা দেশে বিজয় মিছিল, শোভাযাত্রা, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তবে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে গঠিত সংসদ ও সরকার এক বছর পার করেছে বলে সমালোচনা করছে গণতান্ত্রিক বাম জোটের নেতারা। গতকাল রোববার পুরানা পল্টনে জোটের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সভায় নেতারা এ কথা বলেন। আজ বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জোটের সমাবেশ রয়েছে।
এছাড়া, দেশের মানুষের ভোটাধিকার লুট করা হয়েছে দাবি করে দিবসটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কার্যালয়ের সামনে বেলা দুইটায় সমাবেশ করবে বিএনপি।
এএস





