চুয়াডাঙ্গা সদরে বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।
বুধবার (২৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৩৪) একই উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের নুরুল্লাহ পুর গ্রামের রনজিদ মল্লিকের ছেলে।
নিহত জাহাঙ্গীরের ভাই ইকবাল হোসেন জানান, বালি উত্তোলন ও চাঁদা দাবি নিয়ে প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপের সঙ্গে জাহাঙ্গীরদের বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই বুধবার দুপুরে জাহাঙ্গীরকে কোদাল, ব্যালচা ও লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর আলী জানান, জাহাঙ্গীর তার বালির ব্যবসায় দেখাশোনা করতো। দুপুরে সে বালি উত্তোলনস্থলে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় অংশ নেয় রাজনৈতিক দলের একটি অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। নিহত জাহাঙ্গীর আলম তিতুদহ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলো বলেও জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধের জেরে জাহাঙ্গীরকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এমবি





