গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এ কার্যক্রম।

এনবিআর সূত্র জানায়, উচ্চ শুল্ক আরোপযোগ্য অ্যালকোহলজাতীয় পণ্য অবৈধ উৎস ও চোরাচালানের মাধ্যমে সংগ্রহ করে শুল্ক-ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রেস্টুরেন্টটিতে অভিযান চালানো হয়।

এনবিআরের নির্দেশনায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে অংশ নেয় সংস্থাটির চারটি গোয়েন্দা ইউনিট। এগুলো হলো সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (টিআইআইইউ) এবং মূল্য সংযোজন কর নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভিএআইআইডি)।

কাস্টমস আইন-২০২৩, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ এবং আয়কর আইন-২০২৩-এর আওতায় নির্ধারিত ক্ষমতাবলে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে রেস্টুরেন্টটি থেকে বৈধ কাগজপত্রবিহীন বিপুল পরিমাণ অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাতীয় পানীয় জব্দ করা হয়েছে। তবে জব্দ করা পণ্যের চূড়ান্ত তালিকা, রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি এনবিআর।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এমএম