নীলফামারীর জলঢাকায় সরকারী ভাবে ধান ক্রয়ের তালিকা তৈরীকে কেন্দ্র করে জলঢাকা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা ও দুই উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হলেন সেই আওয়ামীলীগ নেতা।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০.৩০টার দিকে তারাবীর নামাজের পর তার বাড়ীর পার্শ্ববর্তী মসজিদ চত্বর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরপরই তাকে জেলা শহরে নিয়ে যায় পুলিশ। তার নিরাপত্তার জন্য তাকে জেলা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সুত্র জানায়।

উলে­খ্য যে, গত রবিবার দুপুরের দিকে সোহরাব হোসেন তুহিন জলঢাকা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢুকে কৃষি কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত করেন এবং সেখান থেকে বের হয়ে অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা হরেন্দ্র নাথ রায় ও জাহাঙ্গীর আলম নামের দুই উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার ওপর চড়াও হন।

সে ঘটনায় উক্ত কৃষি কর্মকর্তা নিজে বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। এতে কাঠালী ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনকে আসামী করা হয়েছে। আটককৃত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহবার হোসেন তুহিন জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং জলঢাকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল এর ছোট ভাই।

এমআর