পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল দুই হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাস এক হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে রূপান্তরিত গ্যাস সরবরাহ ছিল ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট।
নতুন দুই কার্গোর মধ্যে একটি ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়েছে। টোটাল এনার্জিসের কাছ থেকে স্পট মার্কেটের মাধ্যমে কেনা এই কার্গো শুক্রবার চট্টগ্রামের মহেশখালীতে সামিট টার্মিনালে পৌঁছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য বলছে, শুক্রবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সামিট টার্মিনালে এলএনজি ক্যারিয়ার ‘প্যাসিফিক সাকসেস’ এর সব লাইন ফাস্ট করা হয়। এরপর জাহাজ থেকে টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা আরেকটি এলএনজি কার্গো স্পট মার্কেটের মাধ্যমে কিনেছে বাংলাদেশ। আরামকো সিঙ্গাপুরের মাধ্যমে কেনা এই কার্গো বহনকারী এলএনজি ক্যারিয়ার ‘ফেরোল নুটসেন’ শুক্রবার এক্সিলারেট টার্মিনালে পৌঁছায়।
শুক্রবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে ওই কার্গো থেকে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়।
এর আগে খারাপ আবহাওয়ার কারণে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এতে বৃহস্পতিবার আরএলএনজি সরবরাহ কমে প্রায় ৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে যায়। নতুন কার্গো পৌঁছানো এবং সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় একদিনের ব্যবধানে তা বেড়ে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে।
এদিকে দেশে গ্যাসের মোট সরবরাহের বড় অংশ এখনও আসছে দেশীয় উৎস থেকে। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত এক হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে। এর সঙ্গে এলএনজি আমদানি করে পুনর্গ্যাসীকরণের মাধ্যমে আরও ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছে।
ফলে শুক্রবার দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুট
এমএম





