বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘জি-৭৭ অ্যান্ড ইমার্জিং পার্টনার্স মিনিস্টেরিয়াল রাউন্ডটেবিল অন টেকনোলজি-ফ্যাসিলিটেটেড ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন অ্যান্ড গার্লস’ শীর্ষক বৈঠকে এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি দ্রুত বিচার ও তদন্ত, আইনি সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা, পুনর্বাসন, নিরাপদ আবাসন ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

গণপরিবহনে নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সম্প্রতি চালু হওয়া শুধু নারীদের জন্য ‘পিংক বাস সার্ভিস’-এর কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের পাশাপাশি বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের সুরক্ষা ও সহায়তায়ও বাংলাদেশ কাজ করছে।

ডিজিটাল হয়রানি প্রতিরোধ, তদন্ত ও সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের নেতৃত্বে নেওয়া নতুন উদ্যোগ ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এর ঐচ্ছিক নির্দেশিকা নীতিমালার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করেন তিনি। এ উদ্যোগের ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ক্রোয়েশিয়া ও ইউএন উইমেন যৌথভাবে বৈঠকটির আয়োজন করে। এতে নারীদের অনলাইন হয়রানি, মানহানি, ছদ্মবেশ ধারণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি বিভিন্ন ডিজিটাল হুমকির বিষয় উঠে আসে।

এস