যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় পটকা বাজি আটক করাকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও চোরাচালানীদের মধ্যে সংঘর্ষে এক বিজিবি সদস্যসহ চার জন আহত হয়েছে।
আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বেনাপোলের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
পোর্ট থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার হাবিবুর রহমান হাবিব ও বিজিবি সুবেদার গিয়াস উদ্দিন জানান, বুধবার দুপুরে বেনাপোল রেলস্টেশন থেকে খুলনা গামী একটি রেলে চোরাকারবারীরা ভারতীয় পটকা বাজির চালান প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ সদস্যরা চার কার্টন ও বিজিবি সদস্যরা দুই কার্টন পটকা বাজি আটক করেন।
বিজিবির অভিযোগ- পটকা বাজি আটকের ঘটনায় একদল চোরাকারবারী বিজিবির ওপর হামলা করে দুই কার্টন পটকা ছিনিয়ে নেয়। এসময় চোরাকারবারীদের ধরতে চেষ্টা করলে তারা বিজিবির ওপর লাঠি ও ইট-পাথর নিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় বিজিবি নায়েক নাইমুর ও স্থানীয় হাজারী আলীর ছেলে আব্দুর রউফ, সামসুর রহমানের ছেলে তুষার, মিন্টুর হোসেনের ছেলে বাবু আহত হন।
তাদেরকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ও অতিরিক্ত বিজিবি এসে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বিজিবির কাছ থেকে খোয়া যাওয়া মালামালেআর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ বিজিবি চোরাকারবারীদের আটক করতে না পেয়ে স্থানীয় নারী পুরুষ ও শিশুদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
তবে হামলার ঘটনাটি অস্বীকার করেন নায়েক সুবেদার গিয়াস উদ্দিন। বর্তমানে পরিস্তিতি শান্ত রয়েছে।
স্থানীয় বয়জ্যেষ্ঠ ইসাহক মিয়া বলেন, ‘বিজিবি মাছ না পেয়ে ছিপে কামড় দেওয়ার মতো কাজ করেছে। তারা স্থানীয় নারী-শিশুদের ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট করেছে।’
২৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে বলেন, চোরাচালানীদের সাথে কোন আপোষ নেই। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমকে





