মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি বহাল থাকার খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছে জেলা মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ নেতা এবং স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ।
জানা যায়, রিভিউ পিটিশনের রায়ে শেরপুরে একাত্তরে স্বজনহারা, মুক্তিযোদ্ধা ও কামারুজ্জামানের নির্যাতনে নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং কামারুজ্জামানের অপকর্মের সাক্ষী, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রতিনিধিরা খুশি হয়েছেন। এখন তারা ফাঁসি কার্যকরের অপেক্ষায় আছেন বলেও জানিয়েছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মেহেদুল করিম জানান, শেরপুরে কামারুজ্জানের গ্রামের বাড়ি বাজিতখিলাসহ জেলার সর্বত্র জামায়াত-শিবির যাতে রায়ের দিন কোনও রকম নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে সে জন্য পুলিশ প্রশাসন কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। এছাড়া জেলায় পুলিশের পাশাপাশি র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে, কামারুজ্জামানের রিভিউ পিটিশন খারিজ করে অদালত ফাঁসির রায় বহাল রাখায় আনন্দ মিছিল করেছে শেরপুর জেলা ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে শহরের থানা মোড় এলাকা থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুনায়েদ নুরানি মনির নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। এসময় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল হাসান উৎপলসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৩ সালের ৯ মে বৃহস্পতিবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল আদালত কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় দেন।
জেআই
















