মঙ্গলবার (৮ জুলাই) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গৃহায়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাদের ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন—সাবেক অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার জহুরুল হক (ফ্ল্যাটের আয়তন ৪ হাজার ১০৫ দশমিক ০৫ বর্গফুট), সাবেক সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩১৫ দশমিক ৮৩ বর্গফুট), সাবেক সিনিয়র সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান (ফ্ল্যাটের আয়তন ৪ হাজার ৩০৮ দশমিক ৬৮ বর্গফুট), সাবেক সচিব এম এ কাদের সরকার (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট), সাবেক সিনিয়র সচিব ড. এম আসলাম আলম (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট), সাবেক সচিব আকতারী মমতাজ (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট), সাবেক সচিব সিরাজুল হক খান (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩১৫ দশমিক ৮৩ বর্গফুট), সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩১৫ দশমিক ৮৩ বর্গফুট), সাবেক রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সাবেক সিনিয়র জেলা জজ সৈয়দ আমিনুল ইসলাম (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট), সাবেক সিনিয়র সচিব ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩১৫ দশমিক ৮৩ বর্গফুট) এবং সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. গোলাম ফারুক (ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৪৯ দশমিক ১৩ বর্গফুট)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গৃহায়ন মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের গঠিত কমিটির প্রতিবেদন এবং জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ২৭৪তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এ সব ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে।

‘ঢাকার ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরস্থ বিভিন্ন পরিত্যক্ত বাড়িতে আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ (গৃহায়ন ধানমন্ডি) (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১৩নং সড়ক (নতুন-৬/এ)-এর ৭১১নং বাড়ি (নতুন-৬৩)-তে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের স্ব-অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ছিল এসব ফ্ল্যাট।