‘হায়রে সর্বনাশা ঝিল, হায়রে ঝিল! ঐ ঐ যে দেখা যায় আমার বোনের লাল জুতা’। এমনি প্রলাপ করছিলেন মালিবাগ, পূর্ব হাজিপাড়া, মাটির মসজিদ, ঝিলপাড় এলাকায় টিনের দুইতলা বাসা ভেঙ্গপড়ে বোন ও বোনজামাইকে হারানো নাছরিন বেগম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভেঙ্গেপড়া ঐ বাসা উদ্ধার তৎপরতা দেখতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
নাছরিন বেগম বলেন, বুধবার সকালে আমার ছোট বোন রুনা তার স্বামী খোকনকে বলছিলো চলো আমারা আজকেই বাড়িতে চলে যাই এখানে আর থাকবোনা। কিন্তু তার স্বামী বলছিলো আর কয়েকদিন পর ঈদ আমরা ঈদের পর একবারেই বাড়িতে যাই। তারপার আমার বোন আর কিছু বলেনি, বোন যদি আজ বাড়িতে চলে যেতো তাহলে কি তাকে লাশ হতে হতো!
তিনি বলেন, বুধবার দুপুরে ছোট বোন রুনা ও রুনার স্বামী খোকন গার্মেন্টস থেকে দুপুরে বাসায় নাস্তা করতে আসে তারপরই বাসা ধসে পড়ে তারা বাসার নিচতলায় থাকায় তারা বের হতে পারেনি সেখানেই মারা যায়, স্বন্ধ্যায় তাদের লাশ ধ্বংসস্তুপ থেকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
নাছরিন বেগম, স্বামী জাকির, ছোট বোন রুনা, ও রুনার স্বামী খোকন তারা সবাই মালিবাগ, পূর্ব হাজিপাড়া, মাটির মসজিদ, ঝিলপাড় এলাকায় ভেঙ্গেপড়া ঐবাসা বাসায় থাকতো।
এআই/কেএইচ





