পাবনার ঈশ্বরদীতে মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইবুনালের সাক্ষী আব্দুর রহমান সরদারকে (৬৭) কুপিয়ে আহত করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ সাদেক আলী বিশ্বাসের লোকজন।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর মসজিদ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত আব্দুর রহমান ওই এলাকার মৃত নূর আলী সরদারের ছেলে। তিনি একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মওলানা আব্দুস সুবহানের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম সাক্ষী।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) বিমান কুমার দাশ এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ সাদেক আলী বিশ্বাসের সঙ্গে আব্দুর রহমানের জমিজমা ও এলাকার আধিপত্য নিয়ে পূর্বশত্রুতা ও বিরোধ রয়েছে। এ ঘটনাটি তারই জের। সাদেক আলী বিশ্বাস, বিশুসহ কয়েকজনকে আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি।

পুলিশ ও মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ঘটনার সময় সাহাপুরস্থ নিজ বাড়ি থেকে সাহাপুর মসজিদ মোড়ের চায়ের দোকানে যাচ্ছিলেন আব্দুর রহমান। এ সময় স্থানীয় সন্ত্রাসী যুবলীগ কর্মী বিশুসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে রাস্তায় ফেলে রাখে। আব্দুর রহমানের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। বিশুকে ছাড়া আর কাউকে চিনতে পারেননি বলে জানান আহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান সরদার।

এদিকে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক আলী বিশ্বাস জানান, আমি কয়েকদিন আগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বাড়িতে বিশ্রামে আছি। এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এআই