গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে আরও ২১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে। ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৭ জনকে।

এর আগে মঙ্গলবার ৫০৫ ও আগেরদিন সোমবার ৬৮৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়। সব মিলিয়ে বর্তমানে সিলেট বিভাগ জুড়ে হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন মোট ২ হাজার ২৯০ জন। অন্যদিকে হাসপাতাল কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৯ জন। এছাড়া হাসপাতাল আইসোলেশনে আছেন ১৩ জন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা ২১০ জনের মধ্যে সিলেট জেলায় ২২, সুনামগঞ্জে ১৩৯, হবিগঞ্জে ২৪ এবং মৌলভীবাজারের ২৫ জন রয়েছেন। ছাড়পত্র পাওয়া ৭ জনই সুনামগঞ্জের।

ডা. আনিসুর রহমান আরও বলেন, এ যাবৎ হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন সিলেটের ১৫৩ জন, সুনামগঞ্জের ১ হাজার ১১৭ জন, হবিগঞ্জে ৩৪৩ এবং মৌলভীবাজারে ৬৭৭ জন। গত ১০ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ৩ হাজার ১১৭ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৮৮৬ জন, সুনামগঞ্জে ৬৫৪ জন, হবিগঞ্জে ৯১২ এবং মৌলভীবাজারে ৬৬৫ জন রয়েছেন।

এছাড়া হাসপাতাল কোয়ারেন্টিনে এ যাবৎ চিকিৎসা নেওয়া ১০৭ জনের মধ্যে ৪৮ জনকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৫৭ জনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৩ জন, চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪ জন। হবিগঞ্জে ৪৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এ বাদে সুনামগঞ্জের ১ জন ও মৌলভীবাজারের ৩ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

ডা. আনিসুর রহমান জানান, কাউকে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমিত সন্দেহ হলে হাসপাতাল আইসোলেশনে রাখা হয়। এ ধরনের ১৪ জন সিলেটের ডা. শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ছিলেন। তাদের মধ্যে ডা. মঈন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা গেছেন। বাকি ১৩ জন সিলেটেই চিকিৎসাধীন। এছাড়া সুনামগঞ্জে ১ জন ও হবিগঞ্জে ৩ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

এমবি