চট্টগ্রাম নগরীর সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় গুলিবর্ষণ এবং ভাংচুরের ঘটনাও ঘটেছে।
সঙ্গর্ষে ঐশিক পাল জিতু (২২) নামে মহসিন কলেজের স্নাতক শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মহসিন কলেজের ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
চকবাজার থানার ওসি আজিজ আহমেদ বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি হওয়ার পর সঙ্গর্ষ হয়েছে। এক রাউণ্ড গুলিও হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে।
সূত্র জানায়, গত ১৬ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ও মহসিন কলেজকে শিবিরমুক্ত করে দখল নেয়ার পর থেকে সেখানে ছাত্রলীগে দুটি পক্ষ সৃষ্টি হয়। নিয়মিত ছাত্রদের দিয়ে একটি পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনি। আরেকটি পক্ষে আছেন স্থানীয় যুবলীগ নেতা টিনু। টিনুর অনুসারীদের প্রায় সবাই বহিরাগত বলে অভিযোগ আছে।
টিনুকে ঠেকাতে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে গত সপ্তাহে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ছাত্রলীগ। এরপর চট্টগ্রাম কলেজ থেকে মূলত টিনু গ্রুপ সরে যেতে বাধ্য হয়।
শনিবার টিনু গ্রুপের বহিরাগত কয়েকজন মহসিন কলেজে ঢোকার সময় রনির অনুসারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেয়। এসময় উভয়পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রুপ নেয়।
মহসিন কলেজে ঢুকতে না পেরে বহিরাগতরা সড়কে একটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে। এরপর তারা চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ক্যাম্পাসে গিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ক্যান্টিনে ভাংচুর চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাবার পর তারা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনি বলেন, বহিরাগত কিছু লোক অতর্কিতে এসে ছাত্রলীগের সাধারণ নেতাকর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের উপর হামলা চালিয়েছে। তারা গুলিও করেছে।
চকবাজার থানার ওসি রহস্যজনক ভূমিকা পালন করছেন। কলেজ ক্যাম্পাসে তিনি বহিরাগতদের প্রবেশে সহযোগিতা দিচ্ছেন। তার যাকে পছন্দ তাকে ঢুকতে দিচ্ছেন, যাকে পছন্দ নয় তাকে ঢুকতে দিচ্ছেন না। এর ফলে চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হচ্ছে। ’ বলেন রনি।
এইচ ই





