মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিগত সময়ের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বেশি দায়-দেনা কাঁধে নিয়ে নগরবাসীর সেবা প্রদানের দায়িত্ব নিয়েছি। নানামুখী জটিলতা ও অব্যবস্থাপনা পেরিয়ে নগরীকে নৈসর্গিক ও দৃষ্টিনন্দন করার প্রত্যয়ে বিলবোর্ড অপসারণ, ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু, সবুজ নগরী গড়ার প্রত্যয়ে জামালখান, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এবং বিমানবন্দর সড়ককে প্রথম পর্যায়ে বিউটিফিকেশন কার্যক্রমের আওতায় এনে সমগ্র চট্টগ্রামকে সবুজ এবং পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের প্রয়াস অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া আগামী তিন বছরের মধ্যে শতভাগ উন্নয়ন, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ আলোকিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৭১৮ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণসহ জাইকার অধীনে ৩২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে।
আশা করা যাচ্ছে, নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নগরবাসীর সার্বিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিবৃতিতে মেয়র মেয়াদ শেষে যাবতীয় কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভার নগরবাসীর ওপর ছেড়ে দেন।
চসিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দীন। এরপর ৩০ এপ্রিল নির্বাচনী গেজেট প্রকাশিত হয় এবং ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন মেয়রকে শপথ করান।
আইনি বাধ্যবাধকতা এবং চসিকের চতুর্থ নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ শেষ না হওয়ায় ২৬ জুলাই মেয়র নাছির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের প্রথম সাধারণ সভা ওই বছরের ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়।
মাসুম/এমএনজে





