রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও খিলগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় দগ্ধ দুই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই দুই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, গত ৫ মার্চ পারিবারিক কলহের জের ধরে নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন তানিয়া আকতার (২৮)। পরে তাকে ওইদিন ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

মৃত তানিয়া স্বামীর সঙ্গে সায়েদাবাদে থাকলেও তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনামুড়িতে। তার স্বামীর নাম মোহাম্মদ মামুন।

তানিয়ার দেবর মো. সুমন জানান, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার জের ধরে অভিমানে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন তানিয়া। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে একই ঘটনার জেরে খিলগাঁওয়ের নাসিরাবাদ এলাকায় শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন কোহিনুর আকতার নামে আরেক গৃহবধূ।

সম্প্রতি দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়েছে।

মৃত কোহিনুর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার মুরাদ মিয়ার স্ত্রী। তবে মুদি দোকানি মুরাদ সস্ত্রীক খিলগাঁওয়ের নাসিরাবাদে থাকেন।

কোহিনুরের ভাই আমজাদ হোসেন জানান, তিন বছর আগে পারিবারিকভাবেই কোহিনুরের সঙ্গে মুরাদের বিয়ে হয়। প্রথমে ভালোভাবে চললেও গত ক’দিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগেই থাকতো।

‘এসব ঘটনার জের ধরেই স্বামী ও শ্বাশড়ি মিলে শরীরে আগুন দিয়ে আমার বোনকে হত্যা করা হয়েছে,’ অভিযোগ করেন তিনি।

মুরাদ-কোহিনুর দম্পতির একটি মেয়ে রয়েছে বলেও জানান আমজাদ হোসেন।

ও এফ