রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্তে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে দায়িত্ব পালনে পুলিশের গাফিলতির বিষয়টি সামনে এসেছে।
ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সামগ্রীগুলো আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত মুখোশধারীদের একটি দল সেখানে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে শুধু বদলি বা প্রত্যাহারই শেষ ব্যবস্থা নয় বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রচলিত আইনে মামলা করার সুযোগ রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অপরাধের সঙ্গে কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না এবং তদন্তে যারাই জড়িত হিসেবে শনাক্ত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এস











