এবছরই নতুন করে অন্তত আরও ৫ হাজার ডাক্তার ও ১৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. মিলন অডিটরিয়ামে কে-৭৭ ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ, ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সেবা) আবুল কালাম আজাদ, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (শিক্ষা) এইচ এম এনায়েত হোসেন, কলেজের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বাস্থ্যখাত অনেক এগিয়ে গেছে। স্বাস্থ্যসেবার শ্রেষ্ঠ যুগ পার হচ্ছে এখন। এই বছরেই সাড়ে পাঁচ হাজার চিকিৎসক ও ১৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে।’
নবীন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে জাহিদ মালেক বলেন, ‘তোমরা ১০-১২ বছর লেখাপড়া করেছ যে স্বপ্ন নিয়ে সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়ন করতে পেরেছ। পিতামাতা, শিক্ষকরা তোমাদের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন। সবার পরিশ্রম ও নিজের চেষ্টার পরে তোমরা আজ তোমাদের লক্ষ্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছ। ৭৩ হাজার পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ছাত্রছাত্রী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
আর ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ২২০ জন। এজন্যই তোমরা সেরাদেরও সেরা। এখন থেকে সরকারই তোমাদের লেখাপার খরচ বহন করবে। তোমাদের মনে রাখতে হবে, তোমরা জনগণের কষ্টের টাকা দিয়েই লেখাপড়া করছ।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ভর্তির মেধাতালিকায় প্রথম হওয়া ছাত্র রাকিব নূর ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করা ছাত্রী তৌফিকা রহমানকে বিশেষভাবে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তোমাদের কাছে অনেক কিছু আশা করি।
তোমাদেরকে দরদি হতে হবে। ভালো মানুষ হলেই ভালো ডাক্তার হতে পারবে। ছোট একটি ভুলই বড় ভুল তৈরি করে। এজন্য তোমাদের খেয়াল রাখতে হবে। তুমি যেখানেই থাকনা কেন মানুষকে ভালো করার চেষ্টা করতে হবে। অভিবাবকদেরও সন্তানদের খোঁজখবর রাখতে হবে।
এর আগে নবীন ছাত্রছাত্রীদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ খান আবুল কালাম আজাদ। এরপর তিনি নবীনদের উদ্দেশে স্বাগত বক্তব্য দেন।
এএস





