বৃহস্পতিবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক মিটিং শেষে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনসংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। ঘটনা যদি হয়, তাহলে আমরা দেখব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করলে তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাবেন। রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন সেটা পরে দেখা যাবে।
স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। চলতি মাসেই তিনি বঙ্গভবন ছাড়ছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য যেতে চান সিঙ্গাপুর। এর আগে ওই দেশেই বাইপাস সার্জারিসহ হৃদরোগের চিকিৎসা নিয়েছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি তার এ ব্যক্তিগত অভিপ্রায়ের কথা বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নিকটজনদের জানিয়েছেন। বঙ্গভবন সূত্র আমার দেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তবে রাষ্ট্রপতির এ অভিপ্রায়ের বিষয়ে সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা অভিমত পাওয়া যায়নি। এর আগে সরকারের মন্ত্রিসভার তিনজন সিনিয়র সদস্যের মতামত নেয় আমার দেশ। তারা সে সময় জানান, রাষ্ট্রপতি দেশের সাংবিধানিক অভিভাবক, তিনি যতদিন এ পদে থাকবেন সরকারে তার সাংবিধানিক সম্পর্ক বজায় থাকবে। তিনি পদ থেকে ইস্তফা দিলে সংবিধান অনুযায়ী শূন্যতা পূরণ হবে; যেহেতু অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি শক্তিশালী সংসদ কার্যকর রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের অভিপ্রায় ও শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বঙ্গভবনের ওই সূত্রটি জানিয়েছে, তিনি খুবই অসুস্থ। এ অবস্থায় তার দায়িত্ব অব্যাহত রাখা অসম্ভব। চলতি মাসেই দুদফায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছেন তিনি। তার সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্ট ভালো আসেনি। হৃদরোগজনিত দুর্বলতার পাশাপাশি তার নিউরোলোজিক্যাল সমস্যা ধরা পড়েছে।
এস