বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর (BEAR) সামিট। শনিবার সকালে ঢাকার নভোথিয়েটারে প্রধানমন্ত্রী এই সামিটের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন এ কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত একটি সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আগামী ২৫ ও ২৬ জুলাই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর (BEAR) সামিট।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশ কর্মসূচির অংশীদারত্বে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এই সামিটে সরকারের নীতিনির্ধারক, বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের শীর্ষ নির্বাহী, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করবেন। তাঁরা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক কৌশল প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিই সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বাংলাদেশকে একটি উচ্চপ্রযুক্তি সক্ষম দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে এবং গবেষণার বাণিজ্যিকীকরণ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আরও বলেন, এই সামিটের মূল লক্ষ্য হলো—বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর, বায়োটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও রোবোটিক্স শিল্পের বর্তমান অবস্থা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ বিশ্বদরবারে ও গণমাধ্যমে তুলে ধরা। এখানে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে স্টলগুলোতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে বায়োটেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্স সম্পর্কে আগত দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। এ ছাড়া ১১টি প্লেনারি সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে গবেষক, শিক্ষক ও বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসআইএর সভাপতি এম. এ. জাব্বার, সেক্রেটারি মো. হাসেম প্রমুখ।

এমএম