বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীনস্থ এ কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সাড়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম ছিল ৮২৫ টাকা। গত মাসে ভ্যাট কমানোর পর এর দাম দাঁড়ায় ৭৭৬ টাকা। তবে ভ্যাট কমানোর আগেই বিপিসি থেকে দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। পরে কোম্পানিটি সেই প্রস্তাব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে পাঠায়। তবে বিইআরসি এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে এলপি গ্যাস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইউসুফ হোসেন ভূঁইয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিপিসি থেকে দাম বাড়ানোর একটা প্রস্তাব ছিল। আমরা সেই প্রস্তাবটি বিইআরসিতে পাঠিয়েছি। এটা গত মাসের ঘটনা।’
এর আগেও বিপিসির মালিকানাধীন এলপি গ্যাস লিমিটেড ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সাড়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২৫ টাকার প্রস্তাব করেছিল। তখন ক্রসফিলিং বন্ধ এবং ডিলার পর্যায়ে স্থানীয় পরিবহন, অপারেশন খরচ ও চার্জ বৃদ্ধির জন্য এ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু বিইআরসি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল।
যোগাযোগ করা হলে বিইআরসির এক কর্মকর্তা সোমবার বিকেলে জানান, দাম বাড়ানোর কোনো চিন্তা নেই এই মুহূর্তে।
উল্লেখ্য, দেশে ব্যবহৃত এলপিজির ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতনির্ভর। মাত্র দুই শতাংশ সরকারিভাবে বোতলজাত করা হয়। তাই সরকারি এলপিজির দাম বাড়া বা কমায় বাজারে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না।
এস