ঢাকাসহ সারাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে ভেঙ্গে দেয়ার দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানারস (বিআইপি) ও গ্রীণভয়েস।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সরকারের কাছে এমন দাবি তুলেছে এ তিনটি সংগঠন।
সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নেপালের ভুমিকম্পজনিত বিশাল ক্ষয়ক্ষতি ‘বাংলাদেশে বড় ভুমিকম্পের সম্ভাবনা একটি অতিরিক্ত প্রচার’—এ ধরনের কথায় বিশ্বাসীদের আত্মবিশ্বাসকে হতাশার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।
বক্তারা বলেন, দেশের চারদিকে বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চল ডাউটি সিলেট, মনিপুর-ত্রিপুরা-সিলেট-কুমিল্লা, মায়ানমার-চট্টগ্রাম-পার্বত্য, চট্টগ্রাম ও মধুপুর—এ চারটি বড় ফ্লট বা প্লেট এর যে কোনো একটি আমাদের জন্য ভয়াবহ বিপদের সূত্রপাত করতে পারে।
বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আবদুল মতিন বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেখানে একটি করে ‘এ ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ’ শীর্ষক সাইনবোর্ড লাগাতে হবে। মানব দূর্ঘটনা ঠেকাতে এটা এখন সময়ের দাবি।
তিনি বলেন, ঝুঁকিমুক্ত ভবন চিহ্নিত করার জন্য রাজউক কিছুটা কাজ করছেন কিন্তু তাদের পরিকল্পনা ও কাজে ত্রুটির তথ্যও জানা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বাড়িগুলোর মূল্যায়ন সঠিক ও দুর্নীতিমুক্ত হচ্ছে না।
নেপালের সমান ভূমিকম্প যদি ঢাকায় হয় তবে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ডাক্তার এবং খবর সংগ্রহের জন্য একজন সাংবাদিকও বেঁচে থাকবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা)।
নেপালের সাম্প্রতিক ভুমিকম্পের সমমানের (রিকটাল স্কেলে ৭.৫) কম্পন ঢাকায় হলে উদ্ধার-চিকিৎসা বা তাদের সংবাদ প্রচারেরও কেউ থাকবে না বলে বক্তারা প্রশ্ন তোলেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হাবিব, নির্বাহী সদস্য রুহিন হোসেন, নাগরিক উদ্যোগের আনিসুজ্জামানসহ অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
এমএ/এসএইচ





