ঠাকুরগাঁও পৌর সভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঠাকুরগাঁও-গড়েয়া সড়কের জাগরনি ক্লাব গোরস্থানের সামনে সড়কের পাশে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা।
হঠাৎ করে দেখলে মনে হয় এটি গাড়ি বা মানুষ চলাচলের জন্য নয় বরং ময়লা ফেলানোর জন্য এই রাস্তা বানানো হয়েছে।
পুরো সড়কজুড়ে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের ময়লার স্তুপে চরম বিপাকে পড়তে হয় সাধারণ পথচারীদের। বিশেষ করে অল্প বাতাসে ও বৃষ্টিতে দুর্গন্ধযুক্ত আবর্জনা স্তুপ ছড়িয়ে পড়ে সড়কে। এতে এলাকায় যেমন মশার উপদ্রব বাড়ছে তেমনি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের এই এলাকায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়লা ফেলানো হয়। আর নিত্যদিন এসব ময়লা ফেলছে আশেপাশের হোটেল মালিকরা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, নিষেধ করার পরেও এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে তারা। কোন কথার তোয়াক্কা করে না। এভাবে পরিবেশের ক্ষতি হতে থাকলে বাসিন্দারা যাবে কোথায়?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, প্রতিনিয়ত যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে সড়কে চলাচল করতে নানা সমস্যা হচ্ছে। দুর্গন্ধে রাস্তায় হাঁটা যায় না। গাড়ি দিয়ে চলাচল করতে হলেও নাক-মুখ চেপে রাখতে হয়।
আব্দুল সামাদ বলেন, ‘সড়কে আবর্জনা ফেলতে নিষেধ করলে হোটেলের মালিকরা কোন তোয়াক্কা করে না। তাই কেউ কিছু বলতেও চায় না।
স্কুল ছাত্র আরিফ বলেন, ‘প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করি। এই ময়লা-আবর্জনার স্তুপের কাছে এলে নাক-মুখ চেপে বসে থাকি। দুর্গন্ধের কারণে নিঃশ্বাস নিতে পারি না, বমিতে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসতে চায়।’
এ বিষয়ে পৌর সভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হামিদুলস্নাহ আল মামুন জানান, রোজার মাসেও আমরা ওই জায়গাটি পারিস্কার করে ময়লা ফেলা নিষেধ এমন নোটিশ ঝুলিয়ে দেই । কিন্তু বাসষ্ট্যান্ড এলাকার কিছু হোটেল মালিকরা গভীর রাতে ওই স্থানে ময়লা ফেলে। আমরা শীঘ্রই সমস্যা নিরসনে হোটেল মালিকদের সাথে মিটিং করবো।
হাসেম/জেড





