শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলা ও ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া সদস্যদের মধ্যে খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটে কর্মরত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তালিকায় থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের নাম রয়েছে।
পুলিশের দায়িত্ব আইন প্রয়োগ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা নিলে তা পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ও জনআস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিশেষ করে মামলা গ্রহণ, তদন্ত কিংবা অভিযানের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে অর্থ বা অন্য কোনো সুবিধার বিনিময়ে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠলে আইনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করা। এরপরও কেউ অনৈতিকভাবে বাড়তি সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে তা বাহিনীর শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু বদলি বা প্রত্যাহারের মতো প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়াও জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ কারণে আগে বাহিনীর ভেতরে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, পুলিশের সদস্যদের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের প্রবণতা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং বাহিনীর প্রতি জনআস্থা তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে আইজিপির। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় খুলনা বিভাগে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এস











