মঙ্গলবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিজ মন্ত্রনালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভারতের এ দাবি প্রথ্যাখ্যান করেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারত যা বলবে তাই বিশ্বাস করার কোনো কারণ রয়েছে বলে মনে হয়না। তবে তথাকথিত মিডিয়া যাই করুক না কেনো মিডিয়া(সব মিডিয়া নয়) আমাদের ওপর দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকবে না। এই বলে মিডিয়া যাই বলবে তাই বিশ্বাস করবে বিষয়টা এমন নয়। এসব দাবি আমি কেনো কোনো দায়িত্ব সচেতন ব্যক্তিই তা বিশ্বাস করবেনা।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, ভারতের গণমাধ্যমের এমন মনগড়া ও দায়সারা প্রতিবেদন দুদেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয়। বাংলাদেশ বরাবরই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।
উল্লেখ্য যে, গত সোমবার দিল্লির লালবাগ কেল্লার কাছে একটি গাড়িতেত বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত ও আরও বহুমানুষ আহত হয়েছে গণমাধ্যমে এসেছে। এ ব্যাপারে সমস্ত ভারতে সতর্কতা জারি করেছে ভারত সরকার।
এদিকে ভারতে লালবাগ কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণের পর মঙ্গলবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের বাইরে আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। হামলার ব্যাপারে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মোহসিন নাকভি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। তবে পাকিস্তানে হামলার ব্যাপারে বাংলাদেশ জড়িত রয়েছে এমন কোনো অযৌক্তিক কোনো মন্তব্য তিনি করেননি। দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, ‘হামলারকারিদের ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, আত্মঘাতী হামলাকারীরা আদালতে প্রবেশ করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সুযোগ না পেয়ে সামনে থাকা পুলিশ গার্ডকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।’
অন্যদিকে, দুই দেশে হামলার ঘটনায় প্রত্যেক দেশে অবস্থান করা বাংলাদেশি হাই কমিশনারদ্বয় দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এমএম