সারাদেশে গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যানে ধীরে ধীরে কমছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। হাসপাতাল চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। কিন্ত ডেঙ্গু ভালো হওয়ার পরও ডেঙ্গু হওয়ার ঝুঁকি থাকায় মানুষের মাঝে কমেনি আতঙ্ক।
গত ৭ আগস্ট পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি ৪০টি হাসপাতালে পরিসংখ্যান অনুসারে ৭ আগস্ট ভর্তিকৃত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৭৫। ৮ আগস্ট তা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৫৯ জন ও ৯ আগস্ট তা আরও কমে ৯৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে ঢাকার বাইরে ৭ আগস্ট রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৫৩ জন। ৮ আগস্ট রোগীর সংখ্যা ১৪ জন কমে ১ হাজার ১৬৭ জনে দাঁড়ায়। আজ ৯ আগস্ট রোগীর সংখ্যা কমে ১ হাজার ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২০০২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলে ৮০, মিটফোর্ডে ৬৩, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৪৭, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৫৩, বিএসএমএমইউতে ৩৬, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগে ১৪, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৩, বিজিবি হাসপাতাল পিলখানা ঢাকায় ৪, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ৩৮ ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।
বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা শহর ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৩৮, চট্টগ্রামে ২২৩, খুলনায় ১৪৯, রংপুরে ৭৫, রাজশাহী ১০৪, বরিশালে ১৬৭, সিলেটে ২৯ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।
পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় চার শিশুসহ আরও ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বেসরকারি হিসাবে চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯ জন।
এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঈদে ডাক্তার ও নার্সদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। শুক্রবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
কোরবানির ঈদ উপলক্ষে পরিবেশ যেনো কোনোভাবে নষ্ট না হয় সেজন্য যথাযথ দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনগুলোতে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা সিটি পরিষ্কার করার তাগিদ দিয়েছে দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন।
পাশাপাশি আজ শনিবার থেকে ডেঙ্গু নিধনে ব্যবহার করা হচ্ছে বিদেশ থেকে আনা ঔষধ।
জেড





