শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্যানেল আলোচনায় তিনি এসব তথ্য জানান।
ডিজি মোহাম্মদ জাহেদ কামাল বলেন, উদ্ধারকাজের মাধ্যমে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার মতো সম্পদ রক্ষা করতে পেরেছি। তবে এই কাজে বহু ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছেন। সম্প্রতি কেমিক্যাল কারখানার দুর্ঘটনায় আমাদের তিনজন সহকর্মী শাহাদত বরণ করেছেন। এটি আমাদের আরও সতর্ক হওয়ার প্রেরণা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এলপিজি খাত ক্রমবর্ধমান এবং এর ব্যবহার ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি এখনই আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। যেহেতু ব্যবহার বাড়বে, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও থাকবে। তাই সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।
ডিজি জানান, ফায়ার সার্ভিস ইতোমধ্যেই স্কুলপড়ুয়া শিশুদের মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে পাঠ্যপুস্তকে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকে অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত পাঠ অন্তর্ভুক্ত করতে একটি লেসন প্ল্যান জমা দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের বইয়ে এটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তিনি আরও জানান, তৈরি পোশাক খাতের মতো সমন্বিত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার কারণে অগ্নিদুর্ঘটনা কমেছে। একইভাবে এলপিজি খাতেও ৫৩৭টি স্টেশনের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা ধীরে ধীরে ৯৯৭টি স্টেশনে উন্নীত হবে। ব্যবসায়ী ও অপারেটররা চাইলে সহজেই এসব স্টেশন থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ প্রমুখ।
এনএইচ