ভোলায় কিশোরদের (অপ্রাপ্ত বয়সী) জন্য সান্ধ্য আইন জারি করেছেন পৌর মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। রাতে প্রয়োজন ছাড়া স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা শহরে বেড় হতে পারছে না।
পৌর মেয়রের পক্ষে শহরে মাইকিং করে এ নিষেধাজ্ঞা জানানো হয়।
এ আইনের আওতায় রয়েছে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোররা। যাদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। শর্ত রয়েছে রাত ৮টার মধ্যে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। রাত ৯টায় কাউকে রাস্তায় পাওয়া গেলে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হবে।
পৌর মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এমন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অভিভাবকদের সহযোগিতা চেয়েছেন। কিশোর ও উঠতি যুবকদের মাদকের ছোবল থেকে রক্ষার পাশাপাশি নানা অপরাধ প্রবনতা থেকে রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান মেয়র।
এ ঘোষণার পর থেকে গত ৪ দিন রাতে শহরে যুবক ও কিশোরদের আড্ডা বন্ধ হয়ে গেছে। এ ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভোলা সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মহসিন গোলদার, নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান, বাংলাবাজার ফাতেমা খানম কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নজরুল ইসলাম, আলতাজের রহমান কলেজের অধ্যক্ষ জাহান জেব চৌধুরী, প্রবীন সাংবাদিক আবু তাহের, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সফিকুল ইসলাম, কলেজ শিক্ষক হোসেন আহম্মেদ, টাউন কমিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মেহেদী হাসান, সুর্যমুখী কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক সালাউদ্দিন হারুনসহ জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অনেকে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস শহরে কিশোর ও উঠতি বয়সী যুবকরা বেপরোয়া চলাচলে আতঙ্কিত অভিভাবকমহল। মাদকে আকৃষ্ট হচ্ছে কিশোর ও যুব সমাজ। কয়েকটি স্কুল এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মাদক বেচাকেনারও অভিযোগ রয়েছে।
জেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় এসব বিষয় নিয়ে তুমুল আলোচনার পর পৌরসভার পক্ষ থেকে এ সান্ধ্য আইনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানান ভোলা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন আরজু।
তিনি জানান, অনেক অভিভাবকই আইনটি সন্ধ্যার পরপর থেকেই কার্যকরি করার দাবি জানিয়েছেন।
এমকে





